October 13, 2026, 11:27 am
Title :
হত দরিদ্রদের মধ্যে রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের রিক্সা বিতরণ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ সিলেট দরগাহ মাদরাসায় মামুনুল হকের দরস ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে পাঁচ দফা দাবি ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’র মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের ইহতেশামুল হক ইমরান খানের দলের সরকারকে হটিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারি বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা রাসেল মাহবুব-কে সংবর্ধনা প্রদান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান রিপনের মাতার সুস্থতা কামনায় তুরুকখলা হাড়িয়ারচর জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১৫ সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা

রোজা রেখে নখ-চুল ও অবাঞ্ছিত পশম কাটা যাবে কি?

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Monday, March 2, 2026

উত্তর: হ্যাঁ, রোজা রেখে নখ-চুল বা অবাঞ্ছিত পশম কাটা যাবে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। এগুলোর সঙ্গে রোজার কোনো সম্পর্ক নেই। আর দাড়ি সেভ করা ইসলামে এমনিতেই নিষেধ। তারপরও যদি কেউ রোজা রেখে দাড়ি সেভ করে এ জন্য  তার রোজা ভাঙবে না। তবে পবিত্র রমজানের উদ্দেশ্য পূর্ণতা পাবে না।

কেননা, রমজানের রোজার উদ্দেশ্য হলো- আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর প্রতি আনুগত্য করা। আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী চলা ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত নিজের ব্যক্তিজীবনে নিয়ে আসা।

কিন্তু শেভ করার মাধ্যমে আমরা নবীর একটা সুন্নতের উপর আঘাত করি। অথচ দাড়ি কামানোর মাধ্যমে আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুন্নতের বিপরিত করা মুমিন মুসলমানের জান্য উচিত নয়। অবশ্য এটা ভিন্ন কথা; এতে রোজা ভেঙে যাবে না, বরং রোজা— রোজার জায়গা থেকে আদায় হয়ে যাবে। তবে রমজানের উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে আদায় হচ্ছে না। মানে আল্লাহর পরিপূর্ণ আনুগত্য ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী নিজের জীবন সাজানোর বিষয়টি পূর্ণতা পাচ্ছে না।

এসব কাজ সম্পর্কে ইসলামিক স্কলাররা জানান, রোজা রেখে হাত ও পায়ের নখ কাটা এবং চুল-দাড়ি তথা অবাঞ্ছিত পশম কাটালে রোজার ক্ষতি হবে না। এর সঙ্গে রোজা ভঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই। রোজা নষ্ট হয় মূলত পানাহার ও যৌন সম্পর্কের দ্বারা।

তবে, রমজানের রোজা রেখে কিছু কাজ করা উচিত নয়। সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো—

১. বিলম্বে ইফতার করা। ২. সেহরি না খাওয়া। ৩. কেনা-কাটায় ব্যস্ত থাকা। ৪. মিথ্যা বলা ও অন্যান্য পাপ কাজ করা। ৫. অপচয় ও অপব্যয় করা। ৬. হক আদায় না করে কুরআন খতম করা। ৭. বেশি বেশি খাওয়া। ৮. রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদাত করা। ৯. বেশি বেশি ঘুমানো। ১০. পণ্যের দাম বাড়াতে সংকট তৈরি করা। ১১. অশ্লীল ছবি-নাটক ইত্যাদি দেখা। ১২. বেহুদা কাজে রাত জাগরণ করা। ১৩. দুনিয়াবী ব্যস্ততায় মগ্ন থাকা। ১৪. বিদাআত তথা সুন্নাহ বিরোধী কাজ করা।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews