October 1, 2026, 3:11 am
Title :
গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে কোতোয়ালি থানা জমিয়ত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ গরিবের রাড্ডা স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ অব্যাহত হামলা দখলবাজ ও অপরাধীরা বেপরোয়া —- দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম ওসমানীনগরের তাজপুর ইউনিয়নে ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন যাঁকে ভালোবাসা ছাড়া মুমিন হওয়া যায় না সিলেটে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদীর সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় প্রতি উপজেলায় ১০ তরুণ উদ্যোক্তা পাবেন ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা: গভর্নর গোলাপগঞ্জের উত্তরগাঁও গ্রামের সিলেট বিভাগীয় প্রবাসী কল্যাণে টিউবওয়েল স্থাপন

যেভাবে হলো ‘৩৬ জুলাই’

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Wednesday, August 5, 2026

ক্যালেন্ডারের পাতা অনুযায়ী দিনটি ছিল ৫ আগস্ট। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও দেশত্যাগের পর বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার উল্লাসে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ—সবখানেই ভেসে ওঠে একটি প্রতীকী শব্দবন্ধ: ‘৩৬ জুলাই’। আপাতদৃষ্টিতে পঞ্জিকার নিয়মে যা অসম্ভব, আন্দোলনকারীদের কাছে তা হয়ে ওঠে একটি ঐতিহাসিক সত্য ও বিজয়ের স্মারক।

২০২৪ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। ১৬ জুলাই থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলায় প্রাণহানি শুরু হলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এদিন সারাদেশে এই আন্দোলনে থাকা ৬ জনের মৃত্যু হয়। শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোটা সংস্কার হলেও এক পর্যায়ে সেটা এক দফা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকের প্রাণহানির ঘটনায় আন্দোলনকারীদের শপথ ছিল—দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের ‘জুলাই মাস’ শেষ হবে না। ফলে আগস্টের ১ তারিখ থেকে তারা নতুন মাসের গণনা শুরু না করে সেটিকে জুলাইয়ের বর্ধিত অংশ হিসেবে দেখতে থাকেন।

প্রতিবাদের এই অভিনব ধারায় ১ আগস্ট হয়ে ওঠে ‘৩১ জুলাই’, ৪ আগস্ট ‘৩৪ জুলাই’ এবং অবশেষে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের চূড়ান্ত বিজয়ের দিনটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে।

আন্দোলনকারীদের মতে, এই ‘৩৬ জুলাই’ কেবল একটি দিন গণনা নয়; এটি শহীদদের রক্ত ও আত্মত্যাগকে অমর করে রাখার এক প্রতীকী অঙ্গীকার। গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতনের মাধ্যমে এই দিনটি তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews