October 10, 2026, 4:23 am
Title :
ফ্যাসিবাদের বিচার ও জননিরাপত্তার দাবিতে সিলেটে জমিয়তের বিক্ষোভ সুনামগঞ্জে জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা ফ্যাসিবাদের বিচার কার্যকর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণের দাবিতে বায়তুল মোকাররমে জমিয়তের বিক্ষোভ হেবা আইন সংশোধন ২০২৬: শরিয়া কী বলে? ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত লাখ লাখ মুসলিম : বিপদের সম্মুখীন ভারতের গণতন্ত্র নেকাব পরা ছাত্রীকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেয়ায় ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি : ড.মঈন খান কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার -মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সিলেটে পৌঁছেছে ১১ অক্টোবর রেজিস্ট্রারী মাঠে বি.কে.এম`র নাগরিক সমাবেশ

জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি : ড.মঈন খান

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Friday, October 9, 2026

ডেস্ক রিপোর্ট

:স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন,পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা না শিখলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিটি ক্ষেত্রে পানির গুরুত্ব ও সঠিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। ভবিষ্যতে পানি বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ইউনিসেফের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং উপকূলীয় এলাকায় বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, ইউনিসেফের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ওয়াসা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প চলমান রয়েছে। নিরাপদ ও সুপেয় পানির গুরুত্ব তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পানি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ভবিষ্যতে পানি বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। একইভাবে বৈশ্বিকভাবেও পানি মানবজাতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এ কারণে এখন থেকেই পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনায় উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শেখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে সুইডেনের মতো দেশগুলো প্রাকৃতিক সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারের নেতিবাচক দিক উপলব্ধি করেছিল। বাংলাদেশও বর্তমানে একই ধরনের বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। তাই এসব দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়নের সঙ্গে পানির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাকশিল্পে বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে শিল্পকারখানার বর্জ্যের কারণে দেশের অনেক নদী ও খালের পানি দূষিত হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকাতেও পানি সংক্রান্ত নানা সমস্যা রয়েছে। তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে, তবে সেই উন্নয়ন যেন মানুষের জীবন ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শুধু ভালো আবাসন নিশ্চিত করলেই হবে না. মানুষের জন্য নিরাপদ পানি ও সুস্থ পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে। বৈঠকে ইউনিসেফ বাংলাদেশের রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাড ইন্টেরিম গিলিয়ান মেলসপ, ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ (প্রোগ্রাম) এমানুয়েল আব্রিউ-সহ ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন। ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews