মন্ত্রী বলেন, ‘হামলার পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে আমাদের শ্রমকল্যাণ উইংগুলো কাজ শুরু করেছে। আমি নিজেও একজন আহত ব্যক্তির বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।
তিনি বলেন, ‘কিছু ট্রাভেল এজেন্সিও বিদেশে কর্মী পাঠানোর কাজে জড়িয়ে পড়েছে। অথচ তাদের কাজ টিকিটের ব্যবস্থা করা, কর্মী নিয়োগ নয়।
মন্ত্রী আরো জানান, বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ভিসা যাচাই, ইমিগ্রেশন ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কার্যক্রমসহ প্রতিটি স্তর পর্যায়ক্রমে অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে এ উদ্যোগের দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে পরিদর্শনকালে বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল ও ৫০ শয্যার হাসপাতাল আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর ঘোষণা দেন মন্ত্রী।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দূরদূরান্ত থেকে শিল্পকারখানায় কাজ করতে আসা নারী শ্রমিকদের আবাসন ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে চালু করা হয়নি। জনগণের কল্যাণে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব প্রতিষ্ঠান অব্যবহৃত রাখা যায় না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সেগুলো সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে সামনে রেখে আমরা হোস্টেল ও হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করতে চাই। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শ্রমিকনেতারাও এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এটি চালু হলে এলাকার নারী শ্রমিকেরা উপকৃত হবেন।’
এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় শ্রমিকনেতারা উপস্থিত ছিলেন।