September 22, 2026, 11:44 pm
Title :
পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান নেত্রকোনা জেলার উলামায়ে কেরাম ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা সিলেটের জিডিএফ ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে মুসলিম চ্যারিটি ইউকে’র নেতৃবৃন্দকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান ব্যাটারি চালিত রিকশার রোড পারমিট ও ১০ দফা দাবিতে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে স্মারকলিপি পেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশ নিয়ে ড. ইউনূসের উচ্ছ্বাস প্রকাশ জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে নিউইয়র্ক এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে দেশের মানুষ চরম ক্ষুব্ধ— দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম ফেঞ্চুগঞ্জের নবাগত ইউএনও’র সাথে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ৩৫ জনের কাফেলা সহ জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে ওরা কারা?

ফেঞ্চুগঞ্জে চাঁদাবাজি ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Monday, February 13, 2023

 

স্টাফ রিপোর্টার
ফেঞ্চুগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে আওয়ামী যুবলীগের ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইংরেজি মামলাটি দায়ের করেন ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী সিগমা ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী ফয়জুল ইসলাম (৪০)। মামলার আসামীরা হলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নুরপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক রাসেল (৩০), মোমিনপুর গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা আব্দুল বারি (৩৫), করিমপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে যুবলীগ কর্মী মিজানুর রহমান (২৭), মল্লিকপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে এলাইছ মিয়া (২৮), মাইজগাঁও গ্রামের জাবের মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (৩০), রাজনপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে লিয়াকত শাহ (২৯), কুতুব পুর গ্রামে রজমান মিয়ার ছেলে বেলাল আহমদ (২৪)। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ১২/১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে মামলায়। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে তিনি যখন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসা ছিলেন তখন ১নং ও ২নং বিবাদী আমার দোকানে প্রবেশ করে আমার কাছে নগদ ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি তখন তাদের বলি আমার পক্ষে এত টাকা দেয়া সম্ভব নয় আমার ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। তারা আমার এ কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ১নং বিবাদী রাসেল আমার সাথে শাউটিং করে কথা বলে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আরও কয়েকজন আমার দোকানে প্রবেশ করে। তখন রাসেল আমার দোকানের ক্যাশ বাক্সের কাছাকাছি এসে জোরপুর্বক টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি নেয়। এ সময় অন্যান্যরা আমাকে উদ্দেশ্য করে নানা হুমকি প্রদান করে। বাদী ফয়জুল ইসলাম এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, এক পর্যায়ে তাদের সাথে আমার ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সন্ত্রাসিরা আমাকে কিলঘুষি মারতে থাকে। আমি তখন বাঁচার জন্য আর্তচিৎকার দেই। আমার চিৎকার শোনে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসলে বিবাদীগন তাদের হাতে থাকা অস্ত্র উচিয়ে লোকজনকে ভয়ভীতি দেখায়। ওই সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টি করে এবং আমার উপর বোমা সদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করে। তখন আমি টেবিলের নিচে লুকিয়ে নিজেকে রক্ষা করি। বোমাটি আমার কাছেই বিস্ফোরিত হয়। বিকট আওয়াজে লোকজন আতংকিত হয়ে দিকব্দিদিক ছোটোছুটি করে। যুবলীগের সন্ত্রাসীরা আমাকে মৃত ভেবে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার এলাকা ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে ও আমার দোকানে থাকা ১ থেকে ৩নং সাক্ষীকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের ধরতে পুলিশি অভিযান শুরু হবে।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews