October 31, 2026, 3:47 pm
Title :
আত্মশুদ্ধির মেহনত ছাড়া সমাজ সংস্কার অসম্ভব : পীর সাহেব বরুণা শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বরুনারপীরের ইসলাহী মাহফিল সফলের আহবান যুক্তরাজ্যস্থ দিরাইবাসীর উদ্যোগে বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিয়নের চেয়ারম্যানে সম্মানে প্রীতিভোজ ও মতবিনিময় সভা পর্তুগালে বিশ্বনাথ এসোসিয়েশনের ১৮১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন সিলেটে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিলেট বিভাগীয় জমিয়তের দায়িত্বশীলদের মতবিনিময় সভা জাগপা সিলেট জেলা ও মহানগরের মতবিনিময় সভায় রাশেদ প্রধান ১৪ ও ১৫ নভেম্বর সিলেট আলিয়া মাঠে খতমে নবুওয়ত সম্মেলন সফলের আহবান সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশ অবজ্ঞা, মব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আইজিপির বক্তব্যে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের উদ্বেগ ভ্রমণ: একখণ্ড পূর্ণিমা আর দিদার লাভের আকুলতা

‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে যা বলল বিশ্বব্যাংক

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Saturday, October 10, 2026

সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: একাধিক খাদ্য ভর্তুকি একত্রিত করা এবং বিদ্যমান নগদ অর্থ কর্মসূচির সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ যুক্ত করার মাধ্যমে দেশে অতিরিক্ত ২৮.৫ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সীমিত সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ উন্নয়ন সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের প্রায় অর্ধেকই এখনো কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই।

সীমিত সরকারি অর্থ যেন প্রকৃত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য এসব কর্মসূচিতে উপকারভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি আরও উন্নত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ বা গতিশীল সামাজিক নিবন্ধনব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। এই সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন উপকারভোগী অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও লক্ষ্য নির্ধারণের ঘাটতি কমবে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, শুধু ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে আরও ভালোভাবে লক্ষ্যভিত্তিক করা গেলে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্যের বাইরে রাখা সম্ভব। আর ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে বিদ্যমান নগদ সহায়তা ও খাদ্য কর্মসূচিগুলো সমন্বয় করে লক্ষ্যভিত্তিকভাবে পরিচালনা করা গেলে আরও ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব হতে পারে।

এ জন্য ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রির সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড এবং প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডসহ অন্যান্য সহায়তা ও ভর্তুকি কর্মসূচির সংযোগ স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশের উচিত ব্যাপকভিত্তিক ভর্তুকির পরিবর্তে লক্ষ্যভিত্তিক ও সংকটের সময় দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম সহায়তা ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়া। এর লক্ষ্য হবে যাদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, তাদের কাছে সরকারি সহায়তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews