গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় আহবায়ক, এডভোকেট সরওয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব, মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত তরলকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে এলপিজি সরবরাহের ঘাটতি চলছে। সম্প্রতি কোন আলোচনা না করে রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির ফলে সর্বক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়েছে মারাত্বক।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই এলপিজির দাম বৃদ্ধি মরার উপর খাড়ার গা । দেশবাসীর জিজ্ঞাসা, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে, রক্তাক্ত জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ফলাফল কি -সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক মানসিক অত্যাচার?
এই সরকার কি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নিত্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সরকার? বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে এমনিতে নির্ধারিত দামের চেয়ে গ্রাহকগণ ৫০০/ ৪০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে এলপিজি ক্রয় করেন বলে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোদের বিরুদ্ধে কোন একশন নেই। সবই একশন যেন সাধারণ জনগণের উপর।
শিষ্য ঋণখেলাপিদের অবলোপানকৃত লাখ লাখ কোটি টাকা ও পাওয়ারের সুবাদে যে সমস্ত রাজনীতিক, আমলা, ব্যবসায়ীরা অবৈধ সুযোগ-সুবিধা আদায় করে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক বনেছেন তাদের বিরুদ্ধে কোন ডাইরেক্ট একশন নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিনাম শুভ হবে না।
সেবা খাতে ভর্তুকি বাড়ানো ও রাজস্ব ভান্ডার শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঋণ খেলাপিদের অবলোপনকৃত লাখ লাখ কোটি টাকা ও বর্তমানে জাতীয় সংসদে ৩০০ জন এমপির মধ্যে যারা অস্বাভাবিক সম্পদের খবর গণমাধ্যমে এসেছে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে, রাজস্ব ভান্ডার শক্তিশালী চায় দেশবাসী।
নেতৃবৃন্দ সাধারণ মানুষেরই দুর্গতি বিবেচনায় নিয়ে সিলিন্ডার গ্যাসের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানান। অন্যথায় রাজপথে অত্র সংগঠন প্রতিবাদে নামবে।