September 2, 2026, 1:19 pm
Title :
সিলেট রিপোর্ট সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরীর সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত নুরুল ইসলাম মাদ্রাসার উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ইফার বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য হলেন যে ৫ আলেম সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী- সিসিক প্রশাসক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে: ট্রাম্প ইসলামি গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র জাতীয় পদক গ্লোবাল পিস অ্যাওয়ার্ড লাভ বঙ্গবীর জেনারেল এম.এ.জি ওসমানীর ১০৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিত ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জননেতা আব্দুল হামিদের ২৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত সাবেক যুগ্ম সচিব ও প্রথম বাঙ্গালী বৈমানিক আলী আশরফের ৩৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Sunday, October 12, 2025

ঢাকা-সিলেট করিডর উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য মোট ১৬,৯১৯ কোটি টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। কাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এবং শেষ হওয়ার কথা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে। কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি মাত্র ১৫ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকল্প পরিচালককে অগ্রগতির কারণ জানতে ডেকেছে। প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে।

সরকার দেশব্যাপী জাতীয় মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেনসহ চার লেনের সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি এশিয়ান হাইওয়ে, বিমসটেক করিডর ও সার্ক হাইওয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্য ও রাজধানীসহ অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান করিডর।

প্রকল্পে ২০৯ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে, সঙ্গে সার্ভিস লেনও নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ৬৬টি সেতু, ৩০৫টি কালভার্ট ও ওভারপাস, ৬টি রেলওভার ব্রিজ, ৩৭টি ইউটার্ন ও ২৬টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত।

ঠিকাদারি কাজ ধাপে ধাপে চলছে। কাঁচপুর থেকে সোনপাড়া পর্যন্ত ১৮ কিমি অংশে কাজ হয়েছে ২০.৭৫ শতাংশ, সোনপাড়া থেকে নরসিংদী পর্যন্ত ১৭ কিমিতে ১৫.৭০ শতাংশ, এবং নরসিংদী থেকে মারকো এলপিজি ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ১৮.৫ কিমিতে প্রায় ১৭ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

জমি অধিগ্রহণের ধীরগতি, বিদ্যুৎ-গ্যাস-টেলিফোন লাইন স্থানান্তর ও নকশা অনুমোদনের জটিলতা প্রকল্পের প্রধান বিলম্বের কারণ। বর্তমানে ঠিকাদাররা মূলত যেসব স্থানে জমি পাওয়া গেছে বা সওজ অধিদপ্তরের জমি আছে সেখানে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন।

আইএমইডির সভায় প্রকল্পের দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে জমি অধিগ্রহণ, প্যাকেজভিত্তিক টেন্ডার অনুমোদন এবং পিআইসি ও পিএসসি সভা নিয়মিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews