October 13, 2026, 7:27 am
Title :
হত দরিদ্রদের মধ্যে রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের রিক্সা বিতরণ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ সিলেট দরগাহ মাদরাসায় মামুনুল হকের দরস ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে পাঁচ দফা দাবি ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’র মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের ইহতেশামুল হক ইমরান খানের দলের সরকারকে হটিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারি বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা রাসেল মাহবুব-কে সংবর্ধনা প্রদান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান রিপনের মাতার সুস্থতা কামনায় তুরুকখলা হাড়িয়ারচর জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১৫ সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা

সিলেটে পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে হামলায় মাদক ব্যবসায়ী নিহত

  • সিলেট রিপোর্ট ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে— Friday, May 3, 2024
পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাসপাতালে নিহত কামরুল ইসলাম ও স্বজনরা। (ইনসেটে কথিত প্রেমিকা)

পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাসপাতালে নিহত কামরুল ইসলাম ও স্বজনরা। (ইনসেটে কথিত প্রেমিকা)।

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে কথিত পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে কামরুল ইসলাম (৩১) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৩ মে) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত কামরুল ইসলাম কোম্পানীগঞ্জের মুহিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, শুক্রবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে কামরুল ইসলাম তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শিবের বাজারে অবস্থিত নিজ দোকানে বসেছিলেন। এ সময় হঠাৎ ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল দোকানে প্রবেশ করে এবং তার ওপর হামলা চালায়। এতে করে অতিরিক্ত রক্তকরণের ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত কামরুলের সঙ্গে দোকানের নিকটবর্তী এলাকায় বসবাসকারী এক বিবাহিত হিন্দু নারীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই নারী প্রায়ই তার দোকানে যাতায়াত করতেন এবং নিহত ব্যক্তিকেও তার বাড়িতে যেতে দেখা যেত। এটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যা ওই নারীর পরিবারও জেনে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, হামলাকারীদের মধ্যে ওই নারীর কয়েকজন আত্মীয়- যার মধ্যে তার ভাই, চাচা এবং অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। তারা দোকানে প্রবেশ করার পর কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরে তা সহিংস রূপ নেয়। এসময় হামলা শুরু হলে দুই ভাই ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে ছোট ভাই বদরুল পালাতে সক্ষম হলেও কামরুল মাটিতে পড়ে যান এবং হামলাকারীদের হাতে ধরা পড়েন।

এসময় হামলাকারীরা তাকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকে। একটি বড় কালো টর্চলাইট দিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আঘাত করা হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, একজনকে হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এর পূর্বেই সে মারা গেছে। তার লাশ ওসমানী হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শেয়ার করুন

আরো খবর
Theme Customized By BreakingNews